নববর্ষকে কেন্দ্র করে ইলিশের বাজারে আগুন…!!

বাংলাদেশ

-বাঙালির ঐতিহ্যময় উৎসব পহেলা বৈশাখ। নববর্ষে ইলিশের সঙ্গে পান্তা না হলে বাঙালিয়ানাই যেন বৃথা। ফলে রাজধানীর বাজারে ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে ইলিশের দাম।…!!

নববর্ষকে কেন্দ্র করে আগুন লেগেছে ইলিশের বাজারে। বাজারে এক কেজির কিছু বেশি ওজনের একটি ইলিশের দাম চাওয়া হচ্ছে আড়াই থেকে তিন হাজার টাকা। যা সপ্তাহখানেক আগেও দেড় হাজার টাকার কাছাকাছি ছিল…!!

শুক্রবার রাজধানীর বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, সাপ্তাহিক ছুটির দিন থাকায় বাজারে ক্রেতা সমাগম বেশি। ইলিশের উপস্থিতি ও বিক্রি দুটোই বেড়েছে। ইলিশের পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা। ক্রেতাদের কাছে টানতে বিক্রেতারা হাক ডাক দিচ্ছেন…!!

বাজারে ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের প্রতিটি ইলিশের দাম দুই হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকা। এই ওজনের ইলিশ কিছুদিন আগেও এক হাজার থেকে এক হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে…!!

এছাড়া নদীর ৯০০গ্রাম থেকে ১ কেজি ওজনের প্রতি কেজি ইলিশ তিন হাজার টাকা চাওয়া হচ্ছে। এক কেজি ১০০ গ্রাম থেকে এক কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের বড় ইলিশও কিছু বাজারে দেখা গেছে। দাম চাইছে প্রতি কেজি চার হাজার টাকা…!!

আর দেড় কেজি বা দুই কেজির কাছাকাছি ওজনের ইলিশের প্রতি কেজির দাম চাওয়া হচ্ছে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা। ৫০০ গ্রামের নিচে এক হালি ইলিশের দাম তিন হাজার টাকা। তবে বার্মিজ ও সাগরের ইলিশ এবং জাটকার দাম তুলনামূলকভাবে কম। তাই নিম্নবিত্ত এবং মধ্যবিত্ত শেণির মানুষজন জাটকাতেই খুঁজে ফিরছেন ইলিশের গন্ধ…!!

এদিকে অন্য মাছের মধ্যে গত সপ্তাহের মতো সব থেকে কম দামে বিক্রি হচ্ছে তেলাপিয়া মাছ, দাম ১৬০ থেকে ২০০ টাকা কেজি। পাঙাস মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকা কেজি, রুই ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকা কেজি, পাবদা ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি, টেংরা কেজি ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, শিং ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা কেজি, বোয়াল ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি, চিতল ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে…!!

গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ টাকা কেজি দরে। বিক্রেতারা বলছেন, প্রতিদিন গরু কিনতে আমাদের খরচ বাড়ছে। ফলে আমরা বাধ্য হচ্ছি মাংসের দাম বাড়াতে…!!

Leave a Reply